কিন্তু রাজ্যের বুকে গ্রামীণ হাওড়ার উলুবেড়িয়া ২ নম্বর ব্লক, উলুবেড়িয়া পৌরসভার অন্তর্গত বাউড়িয়া মিলিয়ে প্রায় ১০০ টিরও অধিক জগদ্ধাত্রী পূজা অনুষ্ঠিত হয়। আর সেই কারণেই রাজ্যের বুকে গ্রামীণ হাওড়ার এই এলাকাগুলি দ্বিতীয় চন্দননগর বা মিনি চন্দননগর নামে পরিচিত লাভ করেছে। আর তাই জগদ্ধাত্রী পূজায় দর্শকদের ঢল নামতে দেখা যায় এই অঞ্চল গুলিতে।
আর 'আমার কলম' এর এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে আমরা তুলে ধরবো গ্রামীণ হাওড়ার বাউড়িয়ার "উজান" এর জগদ্ধাত্রী আরাধনার ছবি। "উজান" পরিচালিত হৈমন্তিকার আরাধনা এবছর তৃতীয় বর্ষে পদার্পণ করেছে।
"উজান" এর জগদ্ধাত্রী প্রতিমা সম্পূর্ণ রূপে সবেকি আনাকেই তুলে ধরা হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী, নবমীর দিনে অনুষ্ঠিত হয় কুমারী পূজা।
"উজান" এর সভ্য বৃন্দরা দুই দিন হৈমন্তিকার আরাধনা করেন। পাশাপাশি "উজান" এই পূজোয় বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন গ্রামবাসীদের জন্য।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, "উজান" এর সভ্যবৃন্দরা সারা বছর ধরে বহু সামাজিক, সাংস্কৃতিক, সমাজকল্যাণ মূলক ও জনকল্যাণমূলক কাজের মধ্যে নিজেদের নিয়োজিত রাখেন।
এবছর দুর্গাপুজোর আগে মহালয়ার দিনে "উজান" এর উদ্যোগে আয়োজিত হয়েছিল "বিনি পয়সায় দোকান"। পুজোয় সাধারণ মানুষের মধ্যে "ফুটুক হাসি" এই ভাবনাকে সামনে রেখেই তাদের এই উদ্যোগ। এই বিনি পয়সায় দোকান থেকে ৪০০-র অধিক মানুষদের পোশাক দেওয়া হয়।
আর জগদ্ধাত্রী পূজার মহা নবমীর দিনে "উজান" এর মহিলা সদস্যাদের উদ্যোগে আয়োজিত হয় ধুনুচি নাচ।
হৈমন্তিকা আরাধনার মহা দশমীর দিনে অনুষ্ঠিত জিবনাস্টিক শো, নৃত্যানুষ্ঠান। এদিনের মূল আকর্ষণ ছিল "উজান" এর সভ্যবৃন্দদের অভিনীত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নাটক "বিসর্জন"। "উজান" এর সদস্যরা বিসর্জন নাটকটি মঞ্চস্থ করেন। এই সমগ্র অনুষ্ঠানটি দেখতে এলাকার বাসিন্দাদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো।



No comments:
Post a Comment